Posts

Email etiquette-Professor-USA

আচার, ব্যবহার, ভদ্রতা,নম্রতা, সংক্ষেপে সব মিলিয়ে শালীনতা ও বলতে পারেন আবার ইংরেজীতে বলতে পারেন etiquette, খুব স্পর্শকাতর জিনিষ। ক্লাসের স্যারের সাথে দেখা হলে শুধু হুজুর হুজুর-জি স্যার জ্বি স্যার মহাশয় ওকে ইয়েস স্যার নো স্যার ঠিক আছে, এসবই কি শুধুমাত্র ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের মধ্যে ভদ্রতার নিদর্শন? আম্রিকায় এসে দেখেছি- রেষ্ট্রুরেন্টের ম্যানেজার বা ফুড সার্ভারদের কিছু etiquette রয়েছে। হোটেল চালানোর আগে ম্যানেজারদের ট্রেনিং দেওয়া হয়। যেমন, কোন কোন রেষ্ট্রুরেন্টে বাফেট খেতে গেলে টেবিলে পানি ভর্তি জগ দেওয়া হয় না। কারন এটা রেষ্টরেন্ট etiquette এর মধ্যে নাকি পড়ে না। তাই ওয়েটারের চোখ কান খোলা রাখতে হয়-কখন টেবিলে গ্লাস দুটির পানি কমে যাবে ডাকার আগে সাথে সাথে এসে পানি পূর্ণ করে দেবে। এটা নাকি রেষ্টরেন্ট etiquette। আবার কাষ্টমার হিসাবে ও কিছু etiquette মানতে হয়। যেমন: খাওয়ার সময় ইউটেনশিল ধরার ক্ষেত্রে ডান হাতে নাইফ বা স্পুন আর বাম হাতে ফর্ক থাকবে। না ধরলে কেউ আপনাকে বের করে দিবেনা বাট সামটাইমস ইটস কাইন্ড অব এমবারাসিং। আবার প্রচন্ড গরমে কেউ গরমের দোহাই দিয়ে সেন্টো গেঞ্জি (!!!) এর মতো কোন ড্রেস যেটা...

Email etiquette-Professor-USA

আচার, ব্যবহার, ভদ্রতা,নম্রতা, সংক্ষেপে সব মিলিয়ে শালীনতা ও বলতে পারেন আবার ইংরেজীতে বলতে পারেন etiquette, খুব স্পর্শকাতর জিনিষ। ক্লাসের স্যারের সাথে দেখা হলে শুধু হুজুর হুজুর-জি স্যার জ্বি স্যার মহাশয় ওকে ইয়েস স্যার নো স্যার ঠিক আছে, এসবই কি শুধুমাত্র ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের মধ্যে ভদ্রতার নিদর্শন? আম্রিকায় এসে দেখেছি- রেষ্ট্রুরেন্টের ম্যানেজার বা ফুড সার্ভারদের কিছু etiquette রয়েছে। হোটেল চালানোর আগে ম্যানেজারদের ট্রেনিং দেওয়া হয়। যেমন, কোন কোন রেষ্ট্রুরেন্টে বাফেট খেতে গেলে টেবিলে পানি ভর্তি জগ দেওয়া হয় না। কারন এটা রেষ্টরেন্ট etiquette এর মধ্যে নাকি পড়ে না। তাই ওয়েটারের চোখ কান খোলা রাখতে হয়-কখন টেবিলে গ্লাস দুটির পানি কমে যাবে ডাকার আগে সাথে সাথে এসে পানি পূর্ণ করে দেবে। এটা নাকি রেষ্টরেন্ট etiquette। আবার কাষ্টমার হিসাবে ও কিছু etiquette মানতে হয়। যেমন: খাওয়ার সময় ইউটেনশিল ধরার ক্ষেত্রে ডান হাতে নাইফ বা স্পুন আর বাম হাতে ফর্ক থাকবে। না ধরলে কেউ আপনাকে বের করে দিবেনা বাট সামটাইমস ইটস কাইন্ড অব এমবারাসিং। আবার প্রচন্ড গরমে কেউ গরমের দোহাই দিয়ে সেন্টো গেঞ্জি (!!!) এর মতো কোন ড্রে...

Summer of 17-পার্ডুভিলেজ চাষাবাদ আপডেট(শনিবার) -১

Image
যান্ত্রিকতার আবহে মাটি থেকে বহু দূরে অনেক দিন থেকে। বহু দিনের ভাবনা, ব্যস্ততার ফাঁকে একটু চাষবাষ করি, মূলা-ডুল্লা-ঝাল মরিচ আর লাল টমেটো চাষ করি। নিজের গাছের চালকুমড়া খাই, বেগুন পাড়ি। নিজের গাছের ফুলকপি খাই, বেগুন খাই। আমেরিকায় এফ-১ ভিসা কাঁধে নিয়ে যেখানে ঘর গুছানোই বড় দায় সেখানে এমন চিন্তা বেমানান। কিন্তু সেখানে এমন সুযোগ পার্ডু ছাড়া আর কে দিবে। পার্ডু ভিলেজের রেসিডেন্ট ছাত্রদের ৪০ টাকা দামে জমি কট দেয় তিন মাসের জন্য। সামারে ব্যস্ততা কিঞ্চিৎ কম হওয়া সাহস করে ল্যাবমেটের সাথে নিলাম একখানা প্লট। এমন অনেকেই অনেক আগ্রহ নিয়ে নিলেও পরে ব্যস্ততায় আর মাঠে ঢুঁ মেরে যাবার সুযোগ পায় না। অবশেষে তিন মাস শেষে শুধু ঘাঁস পরিষ্কার করে পার্ডুকে ফেরত দেয়। আমার জমিনটাও সেই দিকেই যাচ্ছিলো। আমার প্রফেসরের স্ত্রী, বয়স ৫০+। সামারে মনে হয় ব্যস্ততা কম। কোনভাবে শুনেছে আমরা দুজন জমি নিয়েছি সবজি করবো বলে। আমাদের সাথে চাষাবাদে যোগ দিতে তাঁর খুব আগ্রহ। শুক্রবারে ল্যাব থেকে আমায় নিয়ে এলেন জমি দেখতে। ১০-১৫ মিনিটে তাঁর পরিকল্পনা একে ফেললেন। আমার থেকে সময় নিলেন; কখন তুমি ফ্রি-শনিবার বিকাল ৫ টা থেকে সর্বোচ্চ ৭ টা। সেদিনই ...

Summer of 17-পার্ডুভিলেজ চাষাবাদ আপডেট(শনিবার) -১

Image
যান্ত্রিকতার আবহে মাটি থেকে বহু দূরে অনেক দিন থেকে। বহু দিনের ভাবনা, ব্যস্ততার ফাঁকে একটু চাষবাষ করি, মূলা-ডুল্লা-ঝাল মরিচ আর লাল টমেটো চাষ করি। নিজের গাছের চালকুমড়া খাই, বেগুন পাড়ি। নিজের গাছের ফুলকপি খাই, বেগুন খাই। আমেরিকায় এফ-১ ভিসা কাঁধে নিয়ে যেখানে ঘর গুছানোই বড় দায় সেখানে এমন চিন্তা বেমানান। কিন্তু সেখানে এমন সুযোগ পার্ডু ছাড়া আর কে দিবে। পার্ডু ভিলেজের রেসিডেন্ট ছাত্রদের ৪০ টাকা দামে জমি কট দেয় তিন মাসের জন্য। সামারে ব্যস্ততা কিঞ্চিৎ কম হওয়া সাহস করে ল্যাবমেটের সাথে নিলাম একখানা প্লট। এমন অনেকেই অনেক আগ্রহ নিয়ে নিলেও পরে ব্যস্ততায় আর মাঠে ঢুঁ মেরে যাবার সুযোগ পায় না। অবশেষে তিন মাস শেষে শুধু ঘাঁস পরিষ্কার করে পার্ডুকে ফেরত দেয়। আমার জমিনটাও সেই দিকেই যাচ্ছিলো। আমার প্রফেসরের স্ত্রী, বয়স ৫০+। সামারে মনে হয় ব্যস্ততা কম। কোনভাবে শুনেছে আমরা দুজন জমি নিয়েছি সবজি করবো বলে। আমাদের সাথে চাষাবাদে যোগ দিতে তাঁর খুব আগ্রহ। শুক্রবারে ল্যাব থেকে আমায় নিয়ে এলেন জমি দেখতে। ১০-১৫ মিনিটে তাঁর পরিকল্পনা একে ফেললেন। আমার থেকে সময় নিলেন; কখন তুমি ফ্রি-শনিবার বিকাল ৫ টা থেকে সর্বোচ্চ ৭ টা। সেদিন...

ফজলুর রহমান খান।।

Image
Rejaul Hoq Nayem  at  Purdue University . April 5 at 11:00am  ·  West Lafayette ফজলুর রহমান খান।। আমেরিকা যুগে যুগে কতো বাংলা মায়ের সুবিধা বঞ্চিত ছেলেদের হাতিয়ে নিয়েছে তার হিসাব কষলে লিস্টটা অনেক লম্বাই হবে। মনে হয় হাতিয়ে নেয়াটা বললে ভুল হবে, বলা যায় আমেরিকা নিজের দেশের সন্তান করে নিয়েছে, এদেশে এনে বসে যাওয়া মেধায় শান দিয়েছে, মগজ টা আরেকটু উর্বর করে নিয়েছে, সুবিধা নিয়েছে-দিয়েছে ও বটে, দিয়েছে অনেক সম্মান, উপকৃত হয়েছে ও । আমাদের দেশের সুবিধা বঞ্চিত অনেকেই এই সুযোগ নেবার অপেক্ষায় থাকেন। এসব সুযোগের জন্য নূন্যতম কিছু যোগ্যতা থাকতে হয়, উচ্চ শিক্ষার হাত ধরেই এসব সুযোগ নিতে হয়। হুট করে কোন গতানুগতিক পড়াশোনা, ভালো রেজাল্ট দিয়ে এসব হয় না, ওদের সব রিকোয়ারমেন্ট পূরণ করতে হয়। অতীতে কেমন ছিলো জানি না, তবে এখন হলো, জিআরই একমাত্র মাধ্যম। ফজলুর রহমান খান, ঢাকার ছেলে ছিলেন, তৎকালীন বুয়েটের ছাত্র ছিলেন। তৎকালীন সময়ে ফুলব্রাইট স্কলারশীপ নিয়ে আমেরিকায় University of Illinois at Urbana-Champaign এ মাষ্টার্স প্রোগ্রামে আসেন ১৯৫২ সালে । তিন বছরে দুটি মাষ্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন structural eng...